এরা শোভন-রাব্বানীর চেয়েও খারাপ: শেখ হাসিনা

এরা শোভন-রাব্বানীর চেয়েও খারাপ: শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে শোভন-রাব্বানীকে অপসারণের নির্দেশ দেয়ার পর যুবলীগের কিছু নেতার কর্মকাণ্ড নিয়েও চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।শনিবার (১৫ সেপ্টম্বর) আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে অনির্ধারিত আলোচনায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

 

তিনি ছাত্রলীগের সদ্য অব্যাহতি পাওয়া সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর সঙ্গে তুলনা করে যুবলীগের কিছু নেতার উদ্দেশে বলেন, ‘এরা আরও খারাপ’। প্রধানমন্ত্রী নিজের জন্মদিন পালনে যুবলীগের উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুবলীগের ঢাকা মহানগরের একজন নেতা (ঢাকা মহানগর যুবলীগের একটি অংশের সভাপতি) ক্রসফায়ার থেকে বেঁচে গেছেন। আরেকজন এখন দিনের বেলায় প্রকাশ্যে অ’স্ত্র উঁচিয়ে চলেন। সদলবলে অস্ত্র নিয়ে ঘোরেন। এসব বন্ধ করতে হবে। যখন বঙ্গবন্ধুকে হ’ত্যা করা হয়েছে, তখন কেউ অ’স্ত্র নিয়ে বের হয়নি, অ’স্ত্র উঁচিয়ে প্রতিবাদ করেনি। যখন দলের দুঃসময় ছিল, তখন কেউ অ’স্ত্র নিয়ে দলের পক্ষে অবস্থান নেয়নি।

 

বৈঠকসূত্র জানায়, যুবলীগ প্রসঙ্গে বৈঠকে আলোচনার সূত্রপাত ঘটান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং যুবলীগের সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির নানক। বৈঠকের এজেন্ডায় উল্লেখ থাকা শেখ হাসিনার জন্মদিন পালনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, দল সাড়ম্বরে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করতে চায়। কিন্তু শেখ হাসিনা জন্মদিন পালন নিয়ে অনীহা প্রকাশ করলে নানক যুবলীগের শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন।

 

প্রসঙ্গত, গত ৭ সেপ্টেম্বর দলের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার বোর্ডের সভায় ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা তাদের কমিটি ভেঙে দেয়ার কথা বলেন। পরে শোভন-রাব্বানীর গণভবনে ঢোকার স্থায়ী পাসও বাতিল করা হয়। তাদের পক্ষে সুপারিশ করতে গণভবনে গিয়ে ব্যর্থ মনোরথে ফিরে আসেন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী তিন নেতা। প্রধানমন্ত্রীর অনড় মনোভাবে শোভন-রাব্বানীর বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। শনিবারের বৈঠকে সেটিই সত্যি হলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© ২০১৯ | ভিউয়ার বাংলাদেশ কর্তৃক সর্বসত্ব ® সংরক্ষিত

Design BY NewsTheme