উ’ত্তাল সাগর, পণ্য উঠানা’মা ব’ন্ধ বন্দরে : ঘূ’র্ণিঝ’ড় আম্ফান

ব’ঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূ’র্ণিঝ’ড় আম্ফান এর প্র’ভাবে বহির্নে’ঙরে সাগর উত্তা’ল রয়েছে; সাগরে পণ্য ওঠানামা পু’রোপুরি ব’ন্ধ রয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বন্দরের ভেতর জেটিতে পণ্য ওঠানা’মা স্বাভাবিক রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর এখন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁ’শিয়ারি সং’কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। তবে পাঁচ নম্বর স’তর্কতা সং’কেতে উন্নীত হলে চট্টগ্রাম বন্দরে থাকা জাহাজগুলোকে ব’হির্নোঙরে পা’ঠিয়ে দেওয়া হবে। এরপর নি’য়ন্ত্রণক’ক্ষ খো’লাসহ যাবতীয় পদক্ষে’প নেওয়া হবে।

এদিকে ঘূ’র্ণিঝ’ড় আম্ফানের ক্ষ’য়ক্ষ’তি এ’ড়াতে আগাম স’তর্কতা হিসেবে রবিবার (১৭ মে) বিকালে প্র’স্তুতি বৈ’ঠক করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপ’ক্ষের দু’র্যোগ ব্যবস্থা’পনা কমিটি। বন্দর ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠ’কে সভাপতিত্ব করেন বন্দর কর্তৃপ’ক্ষের সদস্য (প্রশা’সন ও পরিক’ল্পনা) জাফর আলম। বৈঠ’কে সিটি করপোরে’শন, সড়’ক জনপ’থ অধিদপ্তর, নৌবাহি’নী, কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনি’ধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈ’ঠকে, ট্রলার, ছোট নৌযানগুলোকে কর্ণফুলী নদীর ভাটি থেকে কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতুর উজানে নিয়ে থাকার জন্য বলা হয়েছে। গ’ভীর সাগরে নো’ঙরে থাকা জাহাজগুলোকে আরো গ’ভীরে এবং নি’রাপদ দূর’ত্বে থাকতে বলা হয়েছে। সাগর উ’ত্তাল থাকায় দুটি ইঞ্জিন সচ’ল রাখতে বলা হয়েছে; যাতে যেকোনো জ’রুরি বি’পদে পদক্ষে’প নেওয়া যায়। এ ছাড়া বন্দর জেটিতে থাকা জাহাজকে ডাবল রশি দিয়ে বেঁ’ধে রাখার নির্দেশ’না দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে বন্দর কর্তৃপ’ক্ষের সদস্য (প্রশা’সন ও পরিক’ল্পনা) জাফর আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘূ’র্ণিঝ’ড় মোকা’বেলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ক’রণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। ৫ নম্বর সংকেত দেওয়ার পর জেটিতে থাকা জাহাজগুলোকে জো’য়ারের সাথে মিল রেখে সাগরে পা’ঠিয়ে দেওয়া হবে। এখন বহির্নো’ঙরে ১৬০টি জাহাজ আছে; সেগুলোকে সত’র্কভাবে থাকতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ঘূ;র্ণিঝ’ড় এবং পরবর্তী সময়ে যাতে বন্দরে জাহাজ প্রবেশের চ্যানেল সচল থাকে সেটি সর্বোচ্চ অগ্রাধি’কার দেওয়া হয়েছে। আর কভি’ড-১৯ এর সাথে ঘূ’র্ণিঝ’ড়ের ক্ষ’য়ক্ষ’তি মো’কাবেলা নিয়ে আমরা ক’রণীয় নির্ধারণ করেছি। এদিকে ঘূ’র্ণিঝ’ড় কেন্দ্রের কাছে সাগর বিক্ষু’ব্ধ থাকায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁ’শিয়ারি সংকে’ত দেখিয়ে যেতে বলেছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, সোমবারই অতি ভ’য়ঙ্কর ঘূ’র্ণিঝ’ড়ে রূপ নিতে পারে আম্ফান। সেই সঙ্গে বাঁ’ক নিয়ে আ’ছড়ে প’ড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গের সাগরদ্বীপ এবং বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপে। আম্ফানের গ’তিবি’ধি নিয়ে এমনটাই জানাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের আলীপুর আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়বিদরা বলছেন, দক্ষিণ-পূর্ব ব’ঙ্গোপসাগরের ওপর থাকা ঘূ’র্ণিঝ’ড় আম্ফান এখন ভ’য়ঙ্ক’র চেহারা নিয়েছে। তার জে’রে ওড়িশা এবং পশ্চিমব’ঙ্গের উপকূলে স’তর্কতা জা’রি করা হয়েছে। তাদের আ’শঙ্কা, সোমবারের মধ্যেই আম্ফান আরো শ’ক্তি সঞ্চ’য় করে অতি ভ’য়ঙ্ক’র ঘূ’র্ণিঝ’ড়ের চেহারা নেবে। এই মুহূর্তে ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ৯৯০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ঘূ’র্ণিঝ’ড়টি। দিঘা থেকে তার দূ’রত্ব এক হাজার ১৪০ কিলোমিটার। অন্যদিকে, বাংলাদেশের খেপুপাড়া থেকে এক হাজার ২৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আম্ফান।

মতামত দিতে চান?

Please enter your comment!
Please enter your name here